প্রকাশিত: ১২/১২/২০১৭ ৩:৩৩ পিএম , আপডেট: ১৭/০৮/২০১৮ ৯:৪৫ এএম
Single Page Top

উখিয়া নিউজ ডেস্ক::
রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের পর উখিয়া উপজেলায় কাবিখা, টিআর, জিআর প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন অনেক ভূমিহীন ও দিনমজুর। এলাকা ছেড়েছেন অনেকে। অন্যদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এনজিওগুলোতে কাজের সুযোগ বাড়লেও এনজিও ব্যুরোর নীতি ভঙ্গ করে কম মজুরিতে নিয়োগ করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যেসব এনজিও রোহিঙ্গাদের কাজ দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে।

আমনের মৌসুম শেষে এখন কাজ নেই আমির হামজার। এলাকায় আগামী তিন মাসে দিন মজুর হিসেবেও নিয়োগ দেবে না কেউ। উখিয়ার পাঁচ ইউনিয়নে ভূমিহীন রয়েছে ৮ হাজার ২২৮ টি পরিবার। এছাড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২৪ হাজার ৯৯৭, যাদের অনেকেই কৃষিকাজে দিনমজুর, সরকারি টেস্ট রিলিফ, জেনারেল রিলিফ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু রোহিঙ্গারা আসার পর থেকে এসব কর্মসূচি বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ। স্থানীয় একজন এ ব্যাপারে বলেন,‘রোহিঙ্গারা আসার পর থেকে কাজকর্ম বন্ধ। এখন মানুষ কী করে চলবে? চলার তো তাদের আর কোনো রাস্তা নেই।’ আরও একজন বলেন, ‘রোডের সাইডের কাজ করে চলতো। এখন কাজগুলো চলছে না। অনেকেই অনেক সমস্যায় আছে।’ অন্যদিকে যেব এনজিও ক্যাম্পগুলোতে কাজ করছে, কর্মী রাখার ক্ষেত্রে তারা কম মজুরিতে রোহিঙ্গাদের নিয়োগ করছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহামুদুল হক চৌধুরী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের পরিশ্রমিক এখানকার শ্রমিকদের চাইতে অনেক কম। রোহিঙ্গারা সবখান থেকে টাকাপয়সা পাচ্ছে। কিছু রোহিঙ্গা যারা কাজকর্ম পাচ্ছে, তারা করছে। যার ফলে যারা কাজ প্রদানকারী সংস্থা, তারা প্রচুর লাভবান হচ্ছে। ঠিক এই কারণেই তারা রোহিঙ্গাদের কাজ দিচ্ছে, আমাদের এলাকাবাসী বঞ্চিত হচ্ছে। বিষয়টি মনিটরিং করা উচিৎ।’ তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, যেসব এনজিও রোহিঙ্গাদের কাজ দিচ্ছে, তারা আইন ভঙ্গ করছে। উখিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নিকারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এধরণের হাতেগোনা কয়েকটি এনজিওকে সতর্ক করেছি। তাদেরকে একটি কঠোর নির্দেশনা প্রতান করা হয়েছে যে কোনো াবস্থাতেই কোনো রোহিঙ্গাকে এধরণের কাজে নিয়োগ করা যাবে না। স্থানীয় মানুষকে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া লাগবে। সরকারের আইন যদি কেউ ভঙ্গ করে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আমরা বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’ এছঅড়া রোহিঙ্গারা অনু্প্রবেশের পর আবারও এসব প্রকল্প চালুর পাশাপাশি বাড়তি সহযোগিতার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন। সুত্র সময় টিভি::

পাঠকের মতামত

Single Page Bottom

রোহিঙ্গাদের দক্ষতা উন্নয়নে ৪৬ কোটি টাকায় পরামর্শক নিয়োগের অনুমোদন

চট্টগ্রাম বিভাগে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট

সরকারি বিধিনিষেধ থাকলেও কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অনুসন্ধানে উঠে ...

হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজন পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

কক্সবাজারের উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন বিভাজনের প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এতে বক্তারা ...

ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই অস্ত্রোপচারে কলেজছাত্রীর মৃত্যু

ফরিদপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করার পর আয়েশা আফরিন (১৭) নামে এক ...
Single Page Footer